আবেদন বাতিল করা হয়েছে


আবেদন বাতিল হলে আপনাকে যা করতে হবে

একটি আবেদন বাতিল করার পিছনে অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে। এতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আপনার সাবমিট করা আবেদনটি যদি সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিস কর্তৃক বাতিল করা হয় তাহলে উক্ত আবেদন বাতিল করার পিছনে সঠিক কারণটি জানার চেষ্টা করুন। অনেক সময় রিমার্কস কলামে আবেদন বাতিলের কারণটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিস কর্তৃক লেখা থাকে। আপনি আবেদন সাবমিট করার সময় যে আইডি ব্যবহার করেছেন সেখানেই আবেদন বাতিলের কারণটি কারেন্ট স্ট্যাটাসে দেখতে পাবেন। কারণ অনুসন্ধানের পর আপনি একই চালান কপি দিয়ে পুনরায় আবেদনের কাজ করতে পারবেন। ব্যাংকে নতুন করে চালান জমা দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্ত অনেকেই এই ভুলটি করেন। আবেদন বাতিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি পুনরায় আরেকটি নতুন চালান সংগ্রহ করেন যেটি ভুল সিদ্ধান্ত এবং অনর্থক অর্থের অপচয় হয়। আমার এই লেখাটি পড়ার পর নিশ্চই আপনার আর ভুল হবেনা। এবং অন্যকে এই ভুল কাজ করা হতে বিরত রাখবেন মর্মে বিশ্বাস করি। একটি কথা মনে রাখতে হবে যে, নতুন রেফারেন্স নম্বরটি অবশ্যই চালান কপির উপর লিখে দিতে হবে।

আবেদন বাতিল হওয়ার কারণগুলো

অনেক কারণে একটি আবেদন বাতিল হতে পারে। (১) তথ্যগত ভুল (২) পাসপোর্টে উল্লেখ্য নেই এমন মেট্রো/জেলাধীন কোন থানায় আবেদন করলে (৩) আপলোডকৃত কাগজপত্র স্পষ্টভাবে দেখা না গেলে (৪) পাসপোর্ট কপিটি প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষরীত না থাকলে (৫) অন্যের চালানতথ্য নিজের আবেদনে ব্যবহার করলে (৬) অন্যের চালানকপি নিজের আবেদনে আপলোড করলে (৭) পাসপোর্টের ঠিকানার পক্ষে ওয়ার্ড কাউন্সিলর সার্টিফিকেট সাবমিট না করলে (৮) আবেদনকারী বিদেশে অবস্থান করলে সংশ্লিষ্ট দেশের বাংলাদেশ হাইকমিশন কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার কপি সত্যায়িত না থাকলে (৯) বাংলাদেশী নাগরিক তবে বিদেশী পাসপোর্ট হলে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাবমিট না করলে Read More

আরো জানতে চান ? Read More