পিসিসি বিডি। পুলিশ ক্নিয়ারেন্স টিউটোরিয়াল।
Home Problems Status Pending Draft Chalan Rejectted E-Chalan Refused QR-Code Payment Apply Privacy About Contact More

Online Police Clearance Bangladesh

পিসিসি আবেদনে থানা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না

    যদি চাকরি বা অন্য প্রয়োজনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে চান তাহলে অনলাইনকে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। আপনি পুলিশ সংশ্লিষ্ট মেট্রো/জেলার পুলিশ অফিসে কর্মরত পুলিশ অফিসারের সাথে সরাসরি কথা বলতে পারেন।

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য আপনি যখন অনলাইনে আবেদনের কাজ শুরু করবেন, তখন প্রথম ধাপ অতিক্রম করার পর পাসপোর্টের ঠিকানার তথ্য ইনপুট করতে হয়। এই তথ্য ইনপুট করার সময় অনেকেই ভুল থানা সিলেক্ট করেন। সমস্যায় পতিত হওয়ার পর তিনি যখন আমাদের হেল্পডেস্কে ফোন করেন তখন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন ভাই- আমার থানা তো আপনাদের সার্ভারে নেই! ঘটনাটি এক বছর আগের। ভেবেছিলাম এরকম ভুল হয়ত আর কারও হয়না। তিনি বোঝেন না বলেই নিজে ভুল করেছেন। যখন আমি উনাকে থানা সিলেক্ট করতে সহযোগীতা করলাম তখন তিনি তার ভুলটা স্বীকার করে নিলেন আর আমাকে ধন্যবাদ দিয়ে মোবাইলটি রেখে দিলেন। আজ ২০/০২/২০১৯ তারিখ সকালবেলা একই ভূল করলেন আরেক ভাই। তিনি ঢাকা ওয়ারী থানায় আবেদন করবেন, কিন্ত থানা খুঁজে পাচ্ছেন না। পুলিশ আইটি হেল্পডেস্কে ফোন করলেন। ফোনটি আমি রিসিভ করলাম, তিনি বললেন- ভাই আমি একটা আবেদন করব এখানে তো আমার থানা নেই। আমি বললাম ভাই- আপনি কোন থানায় আবেদন করবেন? তিনি বললেন আমি ওয়ারী থানায় আবেদন করব কিন্ত এখানে সাভার, আশুলিয়াসহ অন্যান্য থানা আছে কিন্ত ওয়ারী থানা নেই! আমি বললাম- আপনি শুধু ঢাকা সিলেক্ট করেছেন, সেজন্যই হচ্ছেনা। ঢাকা মেট্রোপলিটন ঢাকা, সিলেক্ট করুন পাবেন। তারপর তিনি যখন সেই কাজটা করলেন তখন ওয়ারী থানা খুঁজে পেলেন। বুঝলাম এরকম ভুল হয়ত অন্য আবেদনকারীরাও করছেন। তাই নতুন করে এই পেজটি তৈরী করলাম। আপনারা নিশ্চয়ই উপকৃত হবেন। আপনি যখন ভেরিফিকেশন থানা সিলেক্ট করবেন তখন দেখে নিতে হবে আপনি জেলা সিলেক্ট করেছেন নাকি মেট্রো সিলেক্ট করেছেন? মেট্রো সিলেক্ট করলে মেট্রো এলাকার থানাগুলো দেখতে পাবেন। আর জেলার থানা খুঁজে পাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে জেলা সিলেক্ট করতে হবে। তাহলে আপনি আপনার থানাটি খুঁজে পাবেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

    Pending for Payment

    আপনার আবেদনের বর্তমান অবস্থা যদি Pending for Payment দেখায় তাহলে বুঝেতে হবে আপনার আবেদনটি জমা হয়নি। একটি সফল আবেদনের কারেন্ট স্ট্যাটাস Application Submitted আবার যদি Draft দেখেন তাহলেও কিন্ত আপনার আবেদনটি জমা হবে না। তাই আপনার আবেদনটির কাজ সম্পন্ন করার জন্য আপনার আইডিতে প্রবেশ করতে হবে। তারপর সেখান থেকে My Account এ ক্লিক করতে হবে। বামপাশে দৃষ্টি রাখলে Dashboard দেখতে পাবেন তারপর সেখান থেকে Pending For Payment এ ক্লিক করতে হবে। Pending For Payment এ ক্লিক করলে আপনি পরবর্তী কাজ করার লিংক পাবেন। সর্ব বামে Payment লেখাটির উপর ক্লিক করুন। তারপর ২ নং অপশনে ক্লিক করলে আপনি চালান তথ্য জমা দেয়ার বক্স পাবেন। চালান তথ্য ইনপুট করুন

    Draft Application

    মনে রাখবেন, একটি আবেদন Draft থাকাবস্থায় আপনি আরেকটি আবেদনের কাজ করতে পারবেন না। অনেক সময় দেখা যায় একজন আবেদনকারী পূর্বে একবার অনলাইনে আবেদন করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু কোন কারণে সেই কাজটি আর সম্পন্ন করা হল না। পরবর্তীতে কয়েকদিন/কয়েকমাস পর আবারও চেষ্টা করল কিন্তু তিনি কিছুতেই করতে পারছেন না এবং পূর্বে যে একবার চেষ্টা করা হয়েছিল সেটাও তার মনে নেই আর তখনই হয় সমস্যা । এক্ষেত্রে আগের আবেদনটি ডিলিট করা ছাড়া পরবর্তীতে আর কোন কাজ করা সম্ভব নয়। আইটি হেল্পডেস্ক, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকার সহযোগীতায় আপনাকে আগের আবেদনটি ডিলিট করতে হবে। হেল্পডেস্ক নম্বরে ফোন করে আগের আাবেদনটি ডিলিট করে নিন।

Application Rejected

    Application Rejected তার মানে আপনার আবেদনটি বাতিল করা হয়েছে। আপনি যখন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য অনলাইনে একটি আবেদনের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করেন, তখন আপনার আবেদনটি আমাদের সিস্টেম সয়ংক্রিয়ভাবে আপনার সংশ্লিষ্ট মেট্রো/জেলার পুলিশ অফিসে প্রেরণ করে। আপনার আবেদনের ঠিকানাটি সংশ্লিষ্ট মেট্রো/জেলার অধীনে না হলে উক্ত পুলিশ অফিস আপনার আবেদনটি বাতিল করে দেবে। আর আপনি যদি প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে টিকে যান তাহলে আপনার আবেদনটি থানায় প্রেরণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জ একজন তদন্তকারী অফিসার নিয়োগ করবেন আপনার ঠিকানাটি যাচাই করার জন্য। উক্ত পুলিশ অফিসার আপনার ঠিকানায় সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে তদন্ত করবেন। আপনি উক্ত ঠিকানায় বসবাস করেন কিনা বা আপনি সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা কিনা তা যাচাই করবেন। এরপর তিনি আরো দেখবেন যে, থানায় আপনার বিরুদ্ধে কোন মামলা আছে কিনা । তদন্ত রিপোর্ট যদি আপনার বিপক্ষে যায় তাহলে আপনার আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে। আপনার আইডিতে প্রবেশ করার পর My Account এ ক্লিক করবেন তারপর সেখান থেকে আপনার রেফারেন্স নম্বরটি সার্চ করলে সর্বডানে আপনার কারেন্ট স্ট্যাটাস ও আবেদন বাতিলের কারণটি দেখতে পাবেন। ভুল সংশোধনের পর আপনি পুনরায় আবেদন করার সুযোগ পাবেন। এক্ষেত্রে আপনি পূর্বের চালান তথ্য ব্যবহার করতে পারবেন।

    Payment Refused!

    Payment Refused! এর মানে হলো আপনি আবেদনের সাথে যে চালান কপিটি আপলোড করেছেন সেটি ভুল। আবেদন সাবমিট করার পূ্র্বে ব্যাংকে ৫০০/- পাঁচশত টাকার ট্রেজারী চালান জমা দিতে হয়। ব্যাংক কর্তৃক স্বাক্ষরযুক্ত ও সীলমোহরকৃত উক্ত চালান ফরমটি আবেদনের সাথে জমা দিতে হয়। আর উক্ত চালান ফরমে টাকা জমা দানকারির নাম ও ঠিকানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে । আপনি নিজের আবেদনের কাজ যদি নিজেই করেন তাহলে এই ভুল হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। আর আপনি যদি কোন অনলাইন কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে আবেদনের কাজ করেন তাহলে ভুল হওয়ার সম্ভাবন অনেক বেশি থাকে। দোকানদাররা এক সাথে অনেকগুলো আবেদনের কাজ করেন ফলে একজনের চালান কপি আরেকজনের আবেদনের সাথে আপলোড করে দেন যা ভুল কাজ। আবেদন বাতিল হওয়ার এটি অন্যতম কারণ। আপনি পুনরায় আবেদন করার সুযোগ পাবেন । এক্ষেত্রে আপনাকে পুনরায় ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হবে না। আপনি পূর্বের চালান তথ্যই ব্যবহার করতে পারবেন। চালানকপি আপলোড করার সময় সতর্কতার সহিত কাজ করুন। আবেদন সাবমিট করার পর আপনার আবেদনের কারেন্ট স্ট্যাটাস Application Submitted দেখাবে ।

    Application Closed!

    Closed! তার মানে আপনার আবেদনটি স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে। আবেদন বাতিলের সবচেয়ে ভারি শব্দ এটি। আপনাকে পুনরায় ট্রেজারী চালান জমা দিতে হবে। তার মানে আরো ৫০০/- পাঁচশত টাকা গুনতে হবে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য অনলাইনে আপনি যখন একটি আবেদন জমা প্রদান করবেন তখন আমাদের সিস্টেম উক্ত আবেদনটি সংশ্লিষ্ট মেট্রো/জেলার পুলিশ অফিসে প্রেরণ করবে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের পর আপনার আবেদনটি থানায় প্রেরণ করা হয়। থানার অফিসার ইনচার্জ কর্তৃক একজন তদন্তকারী অফিসার নিয়োগ হয়। উক্ত পুলিশ অফিসার আপনার ঠিকানায় সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে তদন্ত করবেন। আপনি উক্ত ঠিকানায় বসবাস করেন কিনা বা আপনি সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা কিনা তা যাচাই করবেন। এরপর তিনি আরো দেখবেন যে, থানায় আপনার বিরুদ্ধে কোন মামলা আছে কিনা । তদন্ত রিপোর্ট যদি আপনার পক্ষেও থাকে আর সংশ্লিষ্ট থানায় আপনার বিরুদ্ধে কোন মামলা থাকে তাহলে আপনার আবেদনটি বাতিল করা হবে। আপনি পুনরায় আবেদন করার সুযোগ পাবেন না। পরবর্তীতে মামলা নিষ্পত্তি হলে আপনাকে পূর্বের ন্যায় পুনরায় ব্যাংকে টাকা দিতে হবে এবং আরো একটি আবেদন জমা প্রদান করতে হবে। আবারও তদন্ত করা হবে। আর তদন্ত রিপোর্ট যদি পজেটিভ হয় তাহলে আপনি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাবেন। অন্যথায় পাবেন না।

Application Submitted

    Application Submitted তার মানে আবেদনের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করেছেন । আবেদনটি এখনও থানায় প্রেরণ করা হয়নি। একটি আবেদন সাবমিট হওয়ার পর কি কি কাজ করা হয় তা পূর্বে আলোচনা করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট যদি আপনার বিপক্ষে যায় তাহলে আপনার আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে। আপনার আইডিতে প্রবেশ করার পর My Account এ ক্লিক করবেন তারপর সেখান থেকে আপনার রেফারেন্স নম্বরটি সার্চ করলে সর্বডানে আপনার কারেন্ট স্ট্যাটাস ও আবেদন বাতিলের কারণটি দেখতে পাবেন। ভুল সংশোধনের পর আপনি পুনরায় আবেদন করার সুযোগ পাবেন। এক্ষেত্রে আপনি পূর্বের চালান তথ্য ব্যবহার করতে পারবেন। আপনার আবেদনটি প্রাথমিক বাছাইয়ে টিকে গেলে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হবে। তখন আপনার কারেন্ট স্ট্যাটাস দেখাবে Payment Received এরপর তদন্তের কাজ।

    Under Verification

    Under Verification এর মানে হলো তদন্তাধীন। আপনার আবেদনটির পক্ষে একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদানের লক্ষ্যে চূড়ান্ত কাজ চলমান আছে। থানার ওসির আইডিতে যখন আবেদনটি ছিল তখন আপনার আইডিতে আপনি দেখেছেন Payment Received. ওসি আইডি থেকে আবেদনটি তদন্তকারী অফিসারের আইডিতে প্রেরণ করা হয়েছে। তাই আপনি কারেন্ট স্ট্যাটাসে Under Verification দেখতে পাচ্ছেন। এই কাজ সফলভাবে সমাপ্ত হলেই আপনি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাবেন। আপনি যদি আপনার আবেদনে উল্লেখিত ঠিকানায় বসবাস না করেন তাহলে আপনি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাবেন না। এখানে উল্লেখ্য যে, আপনার ঠিকানাটি অবশ্যই স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানার পক্ষে থাকতে হবে। আর আপনি যদি ভাড়াটিয়া বাসার ঠিকানা ব্যবহার করেন তাহলেও আপনি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাবেন না। তাই তদন্তের কথা মাথায় রেখে বর্তমান ঠিকানার পাশাপাশি স্থায়ী ঠিকানা ব্যবহার করাই উত্তম। অনেক সময় দেখা যায় আপনার ঠিকানাটি অন্য থানার অধীনে হয়ে গেছে তখন উক্ত ঠিকানার পক্ষে একটি ওয়ার্ড কাউন্সিলর সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার প্রয়োজন হয়। কখনও বা আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রেরও প্রয়োজন হতে পারে তাই প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজপত্র সঙ্গে রাখাই উত্তম। সরেজমিনে তদন্তের পর তদন্তকারী অফিসার আরো দেখবেন যে, থানায় আপনার বিরুদ্ধে কোন মামলা আছে কিনা । তদন্ত রিপোর্ট যদি আপনার পক্ষে থাকে আর সংশ্লিষ্ট থানায় আপনার বিরুদ্ধে কোন মামলা না থাকে তাহলে আপনার পক্ষে একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রিন্ট করা হবে।

    Ready for Print

    Ready for Print খুবই ভাল সংবাদ। তবে একটু অসাবধানতায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি হাতে পাওয়ার পরও আপনি কোন কাজে লাগাতে পারবেন না। বিপরীতে যোগ হতে পারে টেনশন ও বাড়তি টাকা খরচ সেই সঙ্গে নতুন করে আবেদনের ঝামেলা তো আছেই। Ready for Print খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। এই ধাপের কাজ হওয়ার সময় নিশ্চিন্ত থাকার কোন সুযোগ নেই। কারণটা বলছি, আপনি যখন আবেদনের কাজ করছিলেন তখন হয়ত একটি বানান ভুল হয়েছে যা আপনার চোখে পড়েনি। আবার তদন্তকারী অফিসারের চোখেও পড়ল না। আর এই অবস্থায় আপনার পক্ষে উক্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি প্রিন্ট করা হলো। বানান ভুলযুক্ত সার্টিফিকেট আপনার কোন উপকারে আসবে একবার ভাবুন। তারপরে আপনাকে কি কি ঝামেলায় পড়তে হবে তা নিশ্চই বুঝতে পারছেন। তাই আবেদন সাবমিট করার সময় খুবই সতর্কতার সহিত কাজ করুন। এরপরও যদি ভুল হয়ে যায় তাহলে আপনি সার্টিফিকেট প্রিন্ট করার আগেই সেটা ঠিক করে নিন। তদন্তকারী অফিসার অথবা পুলিশ আইটি হেল্পডেস্কের সহায়তা নিন।

    Certificate Printed

    Certificate Printed এর মানে কি তা নিশ্চয়ই আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এর মানে বুঝতে কারও ভুলও হয় না। তবে সবাই যে ভুলটা করে সেটা হলো পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রিন্ট হলেই বুঝি সঙ্গে সঙ্গে হাতে পাওয়া যায়। না । পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রিন্ট হলেই আপনি হাতে পাবেন না। কারণ এরপরও আরো কাজ থাকে। সার্টিফিকেট প্রিন্ট হওয়ার পর উহাতে থানার অফিসার ইনচার্জের স্বাক্ষর ও সীলমোহরযুক্ত হয়। Certificate Printed থাকাবস্থায় যদি আপনি দেখেন যে, আপনার আবেদনের কোন একটি জাগায় বানানের ভুল আছে তাহলে তা সংশোধন করার আরো একটি সুযোগ পাবেন। আর এই কাজটি করুন থানার ওসি কর্তৃক স্বক্ষরের পূর্বেই। কেননা বানান ভুলযুক্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আপনার কোন উপকারে আসবে না।

    Sign by OC

    Sign by OC এর মানে হলো পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি সংশ্লিষ্ট থানার ওসি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয়েছে। থানার অফিসার ইনচার্জের স্বাক্ষর ও সীলমোহরযুক্ত সার্টিফিকেটটি পরবর্তী কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট মেট্রো/ জেলার উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসার বরাবর প্র্রেরণ করা হয় । আপনার ঠিকানাটি মেট্রো এলাকায় হলে ডিসি অফিস বরাবর অথবা জেলাধীন হলে এসপি অফিসে বরাবর প্রেরণ করা হয়। যদি আপনার ঠিকানাটি ঢাকামেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকার অধীনে হয় তাহলে আপনি একটু আগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি পেতে পারেন। আর যদি আপনার ঠিকানাটি ঢাকার বাহিরে হয় তাহলে একটু বেশি সময় লাগবে। তাই একটু আগে পাওয়ার জন্য অনেকেই ঢাকার বর্তমান ঠিকানাটি ব্যবহার করেন যা পাসপোর্টে নেই। যারপ্রেক্ষিতে আবেদনটি বাতিল হয়ে যায়। থানার কাজ শেষ হওয়ার পর আর মাত্র্র দুটি কাজ বাকি থাকে।

    Sign by DC/SP

    Sign by DC/SP এর মানে হলো পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি সংশ্লিষ্ট মেট্রো/ জেলার উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসার কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয়েছে। মেট্রো/ জেলার উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারের স্বাক্ষর ও সীলমোহরযুক্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি পরবর্তী কাজের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, ঢাকা বরাবর প্র্রেরণ করা হয় । আপনার ঠিকানাটি মেট্রো এলাকায় হলে ডিসি কর্তৃক অথবা জেলাধীন হলে এসপি কর্তৃক ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। যদি আপনার ঠিকানাটি ঢাকামেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকার অধীনে হয় তাহলে আপনি একটু আগে সার্টিফিকেটটি পেতে পারেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, ঢাকা কর্তৃক স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরযুক্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসে ফেরত দেওয়া হয়। এই কাজ সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিস উক্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি আবেদকারীর হাতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবে। আর মাত্র্র একটি কাজ বাকি থাকে।

    Ready For Delivery

    আপনি যখন আপনার কারেন্ট স্ট্যাটাসে আপনি Ready For Delivery দেখতে পাবেন তখনই বুঝতে হবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি সম্পূর্ণভাবে প্রস্তত আছে। মেট্রো/ জেলার উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসারের স্বাক্ষর ও সীলমোহরযুক্ত যে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, ঢাকা বরাবর প্র্রেরণ করা হয়েছিল, সেটি পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, ঢাকা কর্তৃক স্বাক্ষর ও সীলমোহরযুক্ত করার পর সংশ্লিষ্ট মেট্রো/ জেলা পুলিশ অফিসে ফেরত দেওয়া হয়েছে। কারেন্ট স্ট্যাটাসে Ready For Delivery দেখানোর পর সংশ্লিষ্ট মেট্রো/ জেলা পুলিশ অফিস উক্ত সার্টিফিকেটটি আবেদকারীর হাতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবে। তখন আপনি সেই কাঙ্খিত সার্টিফিকেটটি হাতে পাবেন/ সংগ্রহ করতে পারবেন। সার্টিফিকেট সংগ্রহ করার পদ্ধতি দুটি। ১- কুরিয়ারের মাধ্যমে, ২- হাতে হাতে। যদি হাতে হাতে নেন তাহলে আপনার জেলার পুলিশ সুপার আর মেট্রো হলে পুলিশ কমিশনার অফিসে যেতে হবে। আবেদন সাবমিট করার পর দিন হিসেবে ধরলে ঢাকার মধ্যে ০৭ কর্ম দিবস আর ঢাকার বাহিরে হলে ১০ কর্ম দিবসের বেশি নয়।

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করব কিভাবে

    এটা আপনার জন্য খুবই আনন্দের খবর যে, আপনি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে যাচ্ছেন।
    আপনার কারেন্ট স্ট্যাটাসে আপনি যখন Ready For Delivery দেখতে পাবেন তখনই বুঝতে হবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি সম্পূর্ণভাবে প্রস্তত আছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে উক্ত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি আপনি কোন পুলিশ অফিস থেকে সংগ্রহ করবেন? পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করার জন্য অনেকেই পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে, ঢাকায় চলে আসেন। আর এই ভুলটা বেশি করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় যারা বসবাস করেন। উনারা সরাসরি আমার ডেস্কে চলে আসেন! পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য। তাই এই পেজটি আবার নতুন করে তৈরী করালাম। এই লেখাটি পড়ার পর নিশ্চয়ই আপনার আর ভুল হবেনা। আপনার সময় ও টাকা দুটোই বাচবে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ডিএমপি সদর দপ্তর, ঢাকা হতে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বসবাসকারিরা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবেন। উক্ত অফিসটি চিনতে যদি আপনার অসুবিধা হয় তাহলে আপনি ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিবি অফিস/মিডিয়া সেন্টার/বেইলী রোড/রমনা থানা/মগবাজার- যেকোনো একটি স্থানে উপস্থিত হয়ে ডিউটিরত পুলিশের/পথচারীর সহযোগীতা নিন।

    Thank You For Reading